আগামী ১২ মার্চের ঢাকা চলো কর্মসূচির দিনে চারদলীয় জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতে ইসলামীসহ এর সহযোগী সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রতি কড়া নজর রাখবে বিএনপি। শরিকদের কাঁধে ভর করে যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সেই ব্যাপারে তাদের আগাম সতর্ক করা হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসন ও বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া নিজে জামায়াত নেতাদের এ ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপি নেতাদের কারও কারও অভিযোগ, ১২ মার্চের ‘চলো চলো ঢাকা চলো’ কর্মসূচিতে জামায়াতে ইসলামী গোলযোগ সৃষ্টি করতে পারে। তাই তারা জামায়াতের জন্য আলাদা জায়গা বরাদ্দ রাখার দাবি করেছেন। এ প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সকালের খবরকে বলেন, মহাসমাবেশে যোগ দিতে আসা সব দলের নেতাকর্মীদের জন্য আলাদা জায়গা থাকবে। তাই জামায়াত-শিবির নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না। তাছাড়া চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কর্মসূচির আগেই জোটের শীর্ষ নেতাদের এ ব্যাপারে আগাম সতর্ক করে দিয়েছেন।
গত ৮ জানুয়ারি ঢাকা-চট্টগ্রাম রোডমার্চে যাওয়ার পথে ফেনীতে সমাবেশ করেন খালেদা জিয়া। সেই সমাবেশে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা পরস্পরের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় দলের নেতাকর্মী আহত হন। এ প্রসঙ্গে জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপি নেতা রেহেনা আক্তার রানু অভিযোগ করেন, ওই সংঘর্ষের সূত্রপাত করেছিল জামায়াত। শুধু তাই নয়, লক্ষ্মীপুরে গত ২৯ জানুয়ারি গণমিছিলে দলীয় যে দুই কর্মী মারা যান, সেজন্য স্থানীয় পুলিশ জামায়াতকেই দায়ী করেছে। লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার জামশের আলী সকালের খবরকে জানান, ওইদিন পুলিশ কোনো গুলি করেনি। বরং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করতে যেয়ে পুলিশের দুজন গুরুতর আহত হন। অবশ্য জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাহাবুল হক পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্য সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন।
এদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, জামায়াত শুধু ফাঁকা মাঠে গোল দিতে পারে। ওরা নিজেদের এত শক্তিশালী দাবি করলেও যখন ওদের সাবেক আমির গোলাম আযম, বর্তমান আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদসহ অন্য নেতারা গ্রেফতার হলেন তখন তারা কিছুই করতে পারেনি। তিনি বলেন, গত ৩০ জানুয়ারি গণমিছিলের আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে অংশ নিতে আসা জামায়াত-শিবির নেতাদের জন্য আলাদা জায়গা বরাদ্দ করা হয়েছিল। এবারও তা-ই হবে।
আগামী ১২ মার্চের ঢাকা চলো কর্মসূচির দিনে চারদলীয় জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতে ইসলামীসহ এর সহযোগী সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রতি কড়া নজর রাখবে বিএনপি। শরিকদের কাঁধে ভর করে যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সেই ব্যাপারে তাদের আগাম সতর্ক করা হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসন ও বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া নিজে জামায়াত নেতাদের এ ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপি নেতাদের কারও কারও অভিযোগ, ১২ মার্চের ‘চলো চলো ঢাকা চলো’ কর্মসূচিতে জামায়াতে ইসলামী গোলযোগ সৃষ্টি করতে পারে। তাই তারা জামায়াতের জন্য আলাদা জায়গা বরাদ্দ রাখার দাবি করেছেন। এ প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সকালের খবরকে বলেন, মহাসমাবেশে যোগ দিতে আসা সব দলের নেতাকর্মীদের জন্য আলাদা জায়গা থাকবে। তাই জামায়াত-শিবির নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না। তাছাড়া চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কর্মসূচির আগেই জোটের শীর্ষ নেতাদের এ ব্যাপারে আগাম সতর্ক করে দিয়েছেন।
গত ৮ জানুয়ারি ঢাকা-চট্টগ্রাম রোডমার্চে যাওয়ার পথে ফেনীতে সমাবেশ করেন খালেদা জিয়া। সেই সমাবেশে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা পরস্পরের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় দলের নেতাকর্মী আহত হন। এ প্রসঙ্গে জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপি নেতা রেহেনা আক্তার রানু অভিযোগ করেন, ওই সংঘর্ষের সূত্রপাত করেছিল জামায়াত। শুধু তাই নয়, লক্ষ্মীপুরে গত ২৯ জানুয়ারি গণমিছিলে দলীয় যে দুই কর্মী মারা যান, সেজন্য স্থানীয় পুলিশ জামায়াতকেই দায়ী করেছে। লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার জামশের আলী সকালের খবরকে জানান, ওইদিন পুলিশ কোনো গুলি করেনি। বরং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করতে যেয়ে পুলিশের দুজন গুরুতর আহত হন। অবশ্য জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাহাবুল হক পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্য সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন।
এদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, জামায়াত শুধু ফাঁকা মাঠে গোল দিতে পারে। ওরা নিজেদের এত শক্তিশালী দাবি করলেও যখন ওদের সাবেক আমির গোলাম আযম, বর্তমান আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদসহ অন্য নেতারা গ্রেফতার হলেন তখন তারা কিছুই করতে পারেনি। তিনি বলেন, গত ৩০ জানুয়ারি গণমিছিলের আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে অংশ নিতে আসা জামায়াত-শিবির নেতাদের জন্য আলাদা জায়গা বরাদ্দ করা হয়েছিল। এবারও তা-ই হবে।
বিএনপি নেতাদের কারও কারও অভিযোগ, ১২ মার্চের ‘চলো চলো ঢাকা চলো’ কর্মসূচিতে জামায়াতে ইসলামী গোলযোগ সৃষ্টি করতে পারে। তাই তারা জামায়াতের জন্য আলাদা জায়গা বরাদ্দ রাখার দাবি করেছেন। এ প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সকালের খবরকে বলেন, মহাসমাবেশে যোগ দিতে আসা সব দলের নেতাকর্মীদের জন্য আলাদা জায়গা থাকবে। তাই জামায়াত-শিবির নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না। তাছাড়া চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কর্মসূচির আগেই জোটের শীর্ষ নেতাদের এ ব্যাপারে আগাম সতর্ক করে দিয়েছেন।
গত ৮ জানুয়ারি ঢাকা-চট্টগ্রাম রোডমার্চে যাওয়ার পথে ফেনীতে সমাবেশ করেন খালেদা জিয়া। সেই সমাবেশে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা পরস্পরের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় দলের নেতাকর্মী আহত হন। এ প্রসঙ্গে জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপি নেতা রেহেনা আক্তার রানু অভিযোগ করেন, ওই সংঘর্ষের সূত্রপাত করেছিল জামায়াত। শুধু তাই নয়, লক্ষ্মীপুরে গত ২৯ জানুয়ারি গণমিছিলে দলীয় যে দুই কর্মী মারা যান, সেজন্য স্থানীয় পুলিশ জামায়াতকেই দায়ী করেছে। লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার জামশের আলী সকালের খবরকে জানান, ওইদিন পুলিশ কোনো গুলি করেনি। বরং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করতে যেয়ে পুলিশের দুজন গুরুতর আহত হন। অবশ্য জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাহাবুল হক পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্য সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন।
এদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, জামায়াত শুধু ফাঁকা মাঠে গোল দিতে পারে। ওরা নিজেদের এত শক্তিশালী দাবি করলেও যখন ওদের সাবেক আমির গোলাম আযম, বর্তমান আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদসহ অন্য নেতারা গ্রেফতার হলেন তখন তারা কিছুই করতে পারেনি। তিনি বলেন, গত ৩০ জানুয়ারি গণমিছিলের আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে অংশ নিতে আসা জামায়াত-শিবির নেতাদের জন্য আলাদা জায়গা বরাদ্দ করা হয়েছিল। এবারও তা-ই হবে।
আগামী ১২ মার্চের ঢাকা চলো কর্মসূচির দিনে চারদলীয় জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতে ইসলামীসহ এর সহযোগী সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রতি কড়া নজর রাখবে বিএনপি। শরিকদের কাঁধে ভর করে যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সেই ব্যাপারে তাদের আগাম সতর্ক করা হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসন ও বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া নিজে জামায়াত নেতাদের এ ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপি নেতাদের কারও কারও অভিযোগ, ১২ মার্চের ‘চলো চলো ঢাকা চলো’ কর্মসূচিতে জামায়াতে ইসলামী গোলযোগ সৃষ্টি করতে পারে। তাই তারা জামায়াতের জন্য আলাদা জায়গা বরাদ্দ রাখার দাবি করেছেন। এ প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সকালের খবরকে বলেন, মহাসমাবেশে যোগ দিতে আসা সব দলের নেতাকর্মীদের জন্য আলাদা জায়গা থাকবে। তাই জামায়াত-শিবির নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না। তাছাড়া চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কর্মসূচির আগেই জোটের শীর্ষ নেতাদের এ ব্যাপারে আগাম সতর্ক করে দিয়েছেন।
গত ৮ জানুয়ারি ঢাকা-চট্টগ্রাম রোডমার্চে যাওয়ার পথে ফেনীতে সমাবেশ করেন খালেদা জিয়া। সেই সমাবেশে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা পরস্পরের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় দলের নেতাকর্মী আহত হন। এ প্রসঙ্গে জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপি নেতা রেহেনা আক্তার রানু অভিযোগ করেন, ওই সংঘর্ষের সূত্রপাত করেছিল জামায়াত। শুধু তাই নয়, লক্ষ্মীপুরে গত ২৯ জানুয়ারি গণমিছিলে দলীয় যে দুই কর্মী মারা যান, সেজন্য স্থানীয় পুলিশ জামায়াতকেই দায়ী করেছে। লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার জামশের আলী সকালের খবরকে জানান, ওইদিন পুলিশ কোনো গুলি করেনি। বরং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা করতে যেয়ে পুলিশের দুজন গুরুতর আহত হন। অবশ্য জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাহাবুল হক পুলিশ প্রশাসনের বক্তব্য সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন।
এদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, জামায়াত শুধু ফাঁকা মাঠে গোল দিতে পারে। ওরা নিজেদের এত শক্তিশালী দাবি করলেও যখন ওদের সাবেক আমির গোলাম আযম, বর্তমান আমির মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদসহ অন্য নেতারা গ্রেফতার হলেন তখন তারা কিছুই করতে পারেনি। তিনি বলেন, গত ৩০ জানুয়ারি গণমিছিলের আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে অংশ নিতে আসা জামায়াত-শিবির নেতাদের জন্য আলাদা জায়গা বরাদ্দ করা হয়েছিল। এবারও তা-ই হবে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন