২০ শে এপ্রিল, ২০১১ বিকাল ৪:৫৫
গুরুতর তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই তথ্যে আবার সাক্ষী আছেন দেশের রাষ্ট্রপতি। জাতীয় সংসদের সদ্য সমাপ্ত অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ২০০১ সালের নির্বাচনের আগে দেশের গ্যাস রপ্তানি নিয়ে মার্কিনিদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ আর বিএনপির বৈঠক হয়েছিল! প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেছেন যে তিনি গ্যাস রপ্তানিতে সম্মত না হয়ে চলে আসেন, তবে খালেদা জিয়া সেই বৈঠকে থেকে যান(হাসিনার ভাষায়, যডিও তিনি ১০০ তে ৯৯ টী মিত্যা বলেন) এবং পরবর্তী নির্বাচনে তিনিই ক্ষমতায় আসেন। প্রধানমন্ত্রীর ইঙ্গিতে এ কথা পরিষ্কার যে গ্যাস রপ্তানির ইস্যুতেই মার্কিন সমর্থনে খালেদা জিয়া ২০০১ সালের নির্বাচনে জিতেছিলেন।
এ এক ভয়ংকর তথ্য। এর মানে হাসিনা যতই মুখে গনতন্ত্র অ জনগন সকল ক্ষমতা্র মালিক বলেননা কেন তিনি নিজেই তা বিশ্বাস করেন না, যতই জনগণের ভোটাধিকারের কথা বলুক না কেন, তিনি বিশ্বাস করে এসব ভোট দিয়ে নয়, ক্ষমতা বদল হয় আমাদের বিদেশি বন্ধুরূপী প্রভুদের কথায়।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য যদি সত্যি বলে ধরে নিই আমরা, তাহলে চারদলীয় জোটের ক্ষমতারোহণ আদতে হয়েছিল গ্যাস রপ্তানির অঙ্গীকারের বিনিময়ে। চারদলীয় জোট ক্ষমতায় এসে গ্যাস রপ্তানি করেনি। এই না করার কারণেই কি পরবর্তী নির্বাচনে তাদের এই ভরাডুবি?(তারেক কে নিয়ে আমেরিকার এজেন্ট পত্রিকা প্রথম আলোতে দুর্নীতির অপপ্রচার কি গ্যাস না দেয়াতে? তাইলে বলব তারেক জিয়ার সুযোগ্য উত্তরসুরি ঠিক কাজটি করেছেন, এর জন্য জীবনই চলে গেছিল ১/১১ এর পর)১/১১ ঘটিয়ে তাদেরকে তথা বেগম জিয়া, তারেক রাহমান অ বিয়ানপি নির্যাতন করা কি কথা না রাখার ফল? (তাইলে বলব বেগম জিয়া বিদেশের ওয়াদা ভঙ্গ করলেও দেশের মানুষের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেন নি)
সেক্ষেত্রে ২০০৮ সালের নির্বাচনে মহাজোটের ভূমিধস বিজয়ের গূঢ় রহস্য কী, প্রধানমন্ত্রী সে কথা তাঁর ভাষণে উল্লেখ করলে ভালো হতো।
প্রধান্মন্ত্রী কি এবার গ্যাস ট্রানজিট দিবেন বলে ক্ষমতায় এসেছেন? তার প্রমান ত আমরা দেখতে পাচ্ছি তিনি বিনা শুল্কে ট্রানজিট দিচ্চছেন, বেশী সুধে ইন্ডিয়া থেকে টাকা আনছেন, আইএমএফ এর কথায় সোনা কিনছেন, কিন্তু দেশে আনতে পারছেন না(কাজীর গরু কিতাবে আছে, গোয়ালে নেই)।
এই বিশ্বাস ঘাতক কে আর কত দিন মানুষ ক্ষমতায় রাখতে চায়? সিদ্ধান্ত জনগনকেই নিতে হবে
এ এক ভয়ংকর তথ্য। এর মানে হাসিনা যতই মুখে গনতন্ত্র অ জনগন সকল ক্ষমতা্র মালিক বলেননা কেন তিনি নিজেই তা বিশ্বাস করেন না, যতই জনগণের ভোটাধিকারের কথা বলুক না কেন, তিনি বিশ্বাস করে এসব ভোট দিয়ে নয়, ক্ষমতা বদল হয় আমাদের বিদেশি বন্ধুরূপী প্রভুদের কথায়।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য যদি সত্যি বলে ধরে নিই আমরা, তাহলে চারদলীয় জোটের ক্ষমতারোহণ আদতে হয়েছিল গ্যাস রপ্তানির অঙ্গীকারের বিনিময়ে। চারদলীয় জোট ক্ষমতায় এসে গ্যাস রপ্তানি করেনি। এই না করার কারণেই কি পরবর্তী নির্বাচনে তাদের এই ভরাডুবি?(তারেক কে নিয়ে আমেরিকার এজেন্ট পত্রিকা প্রথম আলোতে দুর্নীতির অপপ্রচার কি গ্যাস না দেয়াতে? তাইলে বলব তারেক জিয়ার সুযোগ্য উত্তরসুরি ঠিক কাজটি করেছেন, এর জন্য জীবনই চলে গেছিল ১/১১ এর পর)১/১১ ঘটিয়ে তাদেরকে তথা বেগম জিয়া, তারেক রাহমান অ বিয়ানপি নির্যাতন করা কি কথা না রাখার ফল? (তাইলে বলব বেগম জিয়া বিদেশের ওয়াদা ভঙ্গ করলেও দেশের মানুষের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেন নি)
সেক্ষেত্রে ২০০৮ সালের নির্বাচনে মহাজোটের ভূমিধস বিজয়ের গূঢ় রহস্য কী, প্রধানমন্ত্রী সে কথা তাঁর ভাষণে উল্লেখ করলে ভালো হতো।
প্রধান্মন্ত্রী কি এবার গ্যাস ট্রানজিট দিবেন বলে ক্ষমতায় এসেছেন? তার প্রমান ত আমরা দেখতে পাচ্ছি তিনি বিনা শুল্কে ট্রানজিট দিচ্চছেন, বেশী সুধে ইন্ডিয়া থেকে টাকা আনছেন, আইএমএফ এর কথায় সোনা কিনছেন, কিন্তু দেশে আনতে পারছেন না(কাজীর গরু কিতাবে আছে, গোয়ালে নেই)।
এই বিশ্বাস ঘাতক কে আর কত দিন মানুষ ক্ষমতায় রাখতে চায়? সিদ্ধান্ত জনগনকেই নিতে হবে
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন