২০ মে, ২০১৩

কি হোয়া উচিত ছিল আর কি হইছে!!


দেশের বিচারক গুলো বালের সমর্থক তা আমরা জানি। কিন্তু মিনিমাম ঘিলু তো থাকা উচিত। না সব গুলো মানিকের মত ঘিলুহীন!!
বাংলাদেশের আর্মিতে রাজনৈতিক বীজ বপন করেছিল ৭১ এর মুক্তিযোদ্ধা তাহের। তার কারনেই সেনাবাহিনীতে রাজনীতির যে প্রবেশ ঘটেছিল তা থেকে আজও মুক্ত হতে পারেনি। তাই ৭১ এর মুক্তিযোদ্ধা হলেও পরবর্তি ঘটনার জন্য আমার কাছে ও মীর জাফর। মীরজাফরি করেছে দেশের মানুষের চীর আকাংখিত গণতান্ত্রিক চেতনার সাথে। দখল করতে চেয়েছিল রাষ্ট্রক্ষমতা বিশৃংখলা সৃষ্টির মাধ্যমে। এটার জন্য তাহেরের ফাসি হইছে ঠিকি আছে।কিন্তু আজকের ইনু- তাহেরে ভাইদেরও তখন ঝোলানো উচিত ছিল।এরাও ছিল সেই উস্কানীদাতাদের অন্যতম। সেটা না করাটাই ততকালিন সরকারের ব্যর্থতা। বাংলাদেশের সংবিধান লঙ্ঘন করে একটী পেশাদার বাহিনীর মধ্যে বিশৃংখলা তথা দেশের সার্বভৌমত্ব ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়াতে শুধু তাহের কেন অন্য যেগুলা আছে ইনু সহ তাদেরকেও সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনা উচিত ছিল। আগামীতে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠীত হলে গণতন্ত্রের শত্রুদের বিচারের দাবী জানাই।

১৭ মে, ২০১৩

আগামীর বিজয় সংক্ষিপ্ত নাকি দীর্ঘস্থায়ী হবে? তার নির্ধারণ বিএনপির হাতেই


 আমি সব সময় একটা কথা বলি, আগামি ইলেকশন মোটামুটি ফেয়ার হলেই বিএনপি জিতবে। কিনতু সেটা বিএনপির কারনে নয়, বাকশালের আচরণে ভীত হয়ে মানুষ উজার করে বিএনপিকে ভোট দিবে।


কিন্তু সমস্যা হল সেটা আদর্শিক বিজয় হবেনা, নতুন চিন্তা ও তরুণ ডায়নামিক নেতৃত্ব ( একমাত্র তারেক  রহমান ছাড়া আর কেউ নাই এটাই সত্য, অথচ তারেক রহমানকে সহযোগিতা করার মত এক ঝাক তরুণ দেশ প্রেমিক ও জনপ্রিয় নেতার দরকার)  নাই যারা জাতীয়তাবাদি আদর্শকে বুকে লালন করে জিয়ার দেখানো পথে জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে,এটাই চিন্তার কারণ।


আদর্শিক বিজয় না হলে সেটা সাস্টেইন কতদিন করবে তা চিন্তার। না হয় দেখাগেল পরের নির্বাচনেই আবার যেই লাউ সেই কদু। অথচ এইবারের কুশাসনের কারনে আওয়ামিলিগের প্রতি মানুষের যে বিদ্বেষ দেখতে পাচ্ছি, তাতে আগামী ২০/৩০ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকত যদি আমাদের তরুন নেতারা(বয়ো বৃদ্ধদের দিয়ে হবেনা, তারা ঢাকায় থাকুক) মাঠে ঘাটে গিয়ে জনগনকে  শহিদ জিয়ার ১৯ দফা এবং তারেক রহমানের ভবিষ্যত চিন্তা নিয়ে নিয়ে মানুষকে উদ্দীপ্ত করতে পারত এবং সেই অনুযায়ী সত্যি নির্মোহ ভাবে কাজ  করতে পারত।

১৩ মে, ২০১৩

দুর্বল চিত্রনাট্য ও ভাল পরিচালকের অভাবে নাটক ফ্লপ!


দেশের সকল বুদ্ধিজীবি সহ আমজনতা সবাই বলছে, যার যেটা করার যোগ্যতা তাকে দিয়ে সেটা করানো হউক। রেশমা উদ্ধার নাটক টা মিডীয়া জমিয়ে দিয়েছিল, কিন্তু দূর্বল পরিচালক ও চিত্রনাট্যের জন্য নাটকটি নষ্ট হতে বসেছে। কি দরকার ছিল বাবা আমাদের গর্বের ধন সেনাবাহিনীকে জড়ানোর। তারা যুদ্ধে ও উদ্ধারে অনেক দক্ষ হলেও তারা নাটকের ট্রেনিং নেয়নি। ফলে যা হওয়ার তা হয়েছে, নাটকটী ফ্লপ মারতে বসেছে। যেখানে নাসির ইউসুফ বাচ্চুর মত নির্দেশক আছে সেখানে অন্যকে কাউকে নাটকের দায়িত্ব দেওয়া বোকামি। আর সরকার আবার প্রমান করল সঠিক জায়গায় সঠিক মানুষকে দায়িত্বে দিতে তারা ব্যর্থ।

যাই হোক আপাতত গল্পের গরু গাছে চড়েছে। আজ সাংবাদিকদের সে বলেছে উদ্ধারকর্মীরা তার খোঁজ পেলে সে দোকান থেকে নতুন কাপড় সংগ্রহ করে পরিধান করেছে :o

কেমনে? জিওসি ভাই কি দরকার ছিল নাটকে আপনার জড়ানোর?এটা বাচ্চুদের কাজ। সাথে শাহরিয়ার কবিররা তো আছেই।

১১ মে, ২০১৩

তুলনামুলক অগোছালো আলোচনাঃআকবরের আমল-বর্তমান আমল ও ইসলাম প্রিয় জনতা






আজ একটী বই পড়ছিলাম। ঘটনা প্রসঙ্গে সেই বইয়ে আকবরের নাম এসে যায়। তখনি ভাবনায় খেলল আকবর ধর্মনিরপেক্ষতার উদাহরন ছিলেন। এমনি ধর্ম-নিরপেক্ষ ছিলেন যে হিন্দু ভাইদের একাদশি তে উনি মুসলিমদের রুটি বানানো ও খাওয়া বন্ধ করেছিলেন। অবশ্য হিন্দু ভাইরা রমজানে প্রকাশ্যে খেতে পারত, মুসলিম ধারি যারা রো্যা রাখত না তারাও প্রকাশ্যে খেতে পারত।
ধর্ম নিরপেক্ষ ছিলেন তাই উনি অগ্নি-সূর্য রপার্থনা করতেন, তার মহলে মন্দির বানিয়েছিলেন যেহেতু তিনি ধর্মনিরপেক্ষ ছিলেন তাই সবাই বাহবা করত। 
তার পর খায়েশ হল ধর্মনিরপেক্ষ ধর্ম করতে, তাই এমন খিচুরি বানালেন, যাতে হিন্দু মুসলিম দের আচার গুলোকে গুলিয়ে বানালেন তার ধর্ম। উদ্দেশ্য হিন্দু ভাইদের সমর্থন তার পক্ষে রাখা। সব চেয়ে মজার ব্যাপার হল তার সাথে যোগ দিল কিছু লোভী মোল্লা। ফয়জী ফজল সহ অনেকেই।

তারাও আকবরের ধর্ম প্রচারে লেগে গেল। ততকালে সম্রাটের এই ধর্মের বিরুধীতা করলেন শায়খ মুজাদ্দেদে আল ফেসানী সহ কিছু দ্বীনি আলেম। আকবর সকল আলেমকে নিজের পক্ষে নিতে বিভিন্ন প্রলোভন দিতে লাগল। এতে অনেক আলেমি ই মুরতাদ হয়ে গেল। তারা টাকা-সম্পদের লোভে আকবরের বন্দনা ও তার ধর্মের পক্ষে চলে গেল। এদিকে মুজাদ্দেদে আলফেসানী ও আকবরের ধর্মের বিরুদ্ধে, তার বিধর্মি কাজের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন।

আকবর কিন্তু এত ক্ষমতাবান হয়েও তাকে বন্দ্বী করতে সাহস পেল না বা হত্যা করতে সাহস করল না। ঢাকল দরবার। তার অনুসারী কত তা মুজেদ্দেদী কে দেখাতে চাইল। একদিকে আকবরি দরবার অন্য দিকে মুহাম্মদি দরবার। লজ্জ্বাজনক হলেও সত্য আকবরি দরবারি অনেক আলেম যোগ দিল, আকবর অনেক উপঢৌকন দিল, আর মুজেদ্দের সাথে রইলেন ইমানী শক্তি বলিয়ান কিন্তু গরীব সহায়-সম্বলহীন আলেমরা। কিন্তু হঠাত ঝড় এসে আকবরি দরবার ভেঙ্গে দেয়। তার অনেক আলেম সহ সে আহত হয়। অনেকে নিহত হয়। কিন্তু আল্লাহর মহিমা মুজাদ্দে আলফেসানীর মুহাম্মদি দরবারের কিছুই হয়নি। তারপরও আকবরের ধর্ম প্রচার থেমে থাকেনি। রাষ্ট্রের টাকায় মুসলিম নামধারী আলেমদের পরামর্শে তার ধর্ম চলতে থাকে আর চলতে থাকে পরোক্ষ নির্যাতন সত্যিকারের দ্বীনদারের প্রতি।

কিন্তু মজাদ্দেদে তার লক্ষ্যের প্রতি অটল ছিলেন, আল্লাহর প্রতি ভরসা রেখেছিলেন তাইতো আকবরের মৃত্যুর পর তার মাতাল-পুত্র এক সময় আকবরের মৃত্যুর অনেক পর ইসলামের পথে আসে (এর পুর্বে সে মুজাদ্দেদে আলফেসানীকে বন্ধী করে, যুদ্ধে পরাজিত হয়, তারপর মুজাদ্দেদে তাকে রাজ্য ফিরিয়েদেন, এতে তার রিয়েলাইজেশন হয় ক্ষমা চায় এবং মাফ পায়, সেটা অন্য আলোচনা), মাফ চায় মুজাদ্দেদে আলফেসানীর কাছে, বাইয়াত নেয় তার কাছে। ইসলাম প্রচার এত সহজে হয়নি।অনেক কষ্ট করতে হয়েছিল।

গত কিছুদিন থেকে ধর্মনিরপেক্ষ হাসিনা সরকারের কার্যক্রম , তাদের ইসলাম এর প্রতি বিদ্বেষ, নিজস্ব আলেম(অনেকে লোভে পড়ে) দের নিজস্ব ফতোয়া দেখে অনেকটাই আকবরের সাথেই তুলনা করা যায়। শুধু প্রধানমন্ত্রি নিজে এখনও নতুন ধর্ম ঘোষণা দেননি। কিন্তু আকবরের চেয়ে অনেক বেশী আলেম নির্যাতন করছেন। হত্যা করতেছে তার বাহিনী এবং এটা প্রকাশ্যে।
সাধারণ আলেম সহ ইসলাম প্রিয় মানুষদের প্রতি আহবান, সাময়িক কষ্টে মুষরে পড়বেননা, দুনিয়াবি আলেমদের ফতোয়া দেখে কষ্ট পাবেননা কারন নবিজী ইহকালে থাকতেই মোনাফেক বের হয়েছিল, আজ থেকে কয়েকশ বছর পূর্বে আলেম নামধারী জালেমরা ইসলাম বিদ্বেষীদের পক্ষে গিয়েছিল নিজেদের দুনিয়াবী স্বার্থে। কিন্তু আপনাদের পূর্বসুরিরা ধৈর্য হারা হননি, ইসলামের পথে অটল ছিলেন, কষ্ট স্বীকার করেছেন, আপনাদেরও করতে হবে আরও, তবে বিজয় সুনিশ্চিত ইনশাহ-আল্লাহ। ইতিহাসে ইসলাম প্রিয়দের উপর যত আঘাত এসেছে আর কোন ধর্মে এমন আঘাত আসেনি। কারন মুসলিমদের চিরশত্রু শয়তান অলক্ষ্যে ইসলামবিরুধীদের সব সময় ঐক্য গড়ে দিতে কাজ করেছে। এখনও করছে। আম-বাম-নাস্তিক-চুচীল বাইরের ইসলাম বিরুধী শক্তি এক হয়েছে, তারপরও ইমানদাররা লক্ষ্যে অটল থাকলে ব্জয় আসবে ইনশাহা আল্লাহ।
কোরানের আয়াত আছেঃ

তোমরা নিরাশ হয়ো না এবং দুঃখ করো না। যদি তোমরা মুমিন হও তবে, তোমরাই জয়ী হবে। 

সূরা আল-ইমরানঃ ১৩৯ (আল-কোরআন)

....এভাবে আল্লাহ জানতে চান কারা ঈমানদার আর তিনি তোমাদের কিছু লোককে শহীদ হিসাবে গ্রহণ করতে চান। আর আল্লাহ অত্যাচারীদেরকে ভালবাসেন না। 

সূরা আল-ইমরানঃ ১৪০ (আল-কোরআন) 

সুতরাং আল্লাহ সত্যি,আল্লাহর রসুল সত্য কোরআন সত্য, বিজয় হবেই মোনাফেক সহ ইসলাম বিদ্বেষীদের জন্য থাকবে থু থু।
(গুছিয়ে লিখার সময় পেলাম না, ইলেক্ট্রিসিটী বার বার বিরক্ত করছে, আগামীতে গুছিয়ে পোষ্ট দিব ইনশাহ আল্লাহ)


https://www.facebook.com/fahim.salam/posts/10201251538476763?ref=notif&notif_t=like
http://www.somewhereinblog.net/blog/astobabablog/29829327

৮ মে, ২০১৩

চুইত্যাদের নিয়ে লিখা (লিখাটির কপি রাইট আমার, তাই প্রসংসা বা নিন্দা সবই আমার প্রাপ্য)

আম-বাম-শুশীল-নাস্থিক চুতিয়ারা আম্বা লীগের সন্ত্রাসিদের বিরুদ্ধে কথা বলেনা কেন? ছাত্রলীগ যুবলীগ দামি দামি অস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে রাস্তায় নামল, কই সেগুলো নিয়ে এই চুইত্যারা কথা বলে না কেন? হেফাজতের কর্মিরা ইত-পাটকেল মেরেছে এটা নিয়ে কথা বলে। ঐ চুইত্যারা কেন প্রশ্ন করেনা পুলিশ কেণ ঐ কুত্তাদের গ্রেফতার করল না??? সবগুলা শুশীল কুকুরদের চিনে রাখুন। যদি কোন্দিন বিএনপি ক্ষমতায় আসে তারপর ঐ শুশিল গুলো ছাত্রদল-যবদুল নিয়ে কিছু বললে কানের নিচে শুধু থাপ্পড় লাগাবেন।

(অ.ট. এই ষ্টাটাসটির আওতামুক্ত নুরুল কবির, আসিফ নজরুল, পিয়াস করিম, ফরহাদ মজহারদের মত কিছু বিবেকবান মানুষরা)

নাটক নাটক, খেলারাম খেলে যা

বালের নাটোক দেখতে দেখতে এখন ক্লান্ত। এখন পার্থও শরীক হয়েছেন দেখি। কি দরকার বাপু এমন নাটক করার। তোমার গুড লুকিং চেহেরা, সংসদের ভাষণ, টকশোর যুক্তি পূর্ন কথা ও মেডামের সামনে জনসভার ভাষণ গুলোই মন্ত্রিত্ব পাবার জন্য যথেষ্ট(যদি বিএনপি ক্ষমতায় যায়), আমরা জানি বালের কোন পাতি নেতার চৌদ্দগোষ্টীর সাত খুন মাফ। সেখানে শেখ সেলিমের ভাগ্নে ও শেখ হেলালে জামাই হওয়ার পরও পুলিশ যাবে তোমার বাসায়!!!এইরকম কাচা নাটক দেখতে চাইনা। জোটে আছ, বিএনপির পক্ষে ব্যাট ধর এতেই আমরা খুশি, নাটক না করলেই হবে, মন্ত্রিত্ব আগামীতে পাবে। 

টিভিটতে দেখলাম পার্থ এর বাসায় পুলিশ রেদ দিয়েছে, তাই এই লিখা।

ফেবু বন্ধুর জিজ্ঞাসার উত্তর (আমার লিখার জন্য সম্পূর্ন দায়ী আমি। লিখার জন্য শাস্তি ও প্রসংস সবই আমার কপিরাইট করা :-))

ফেসবুকের এক ভাই বললেন, বিএনপির নেতৃত্ব নিয়ে উনি হতাশ, প্রশ্ন করলেন কোথায় ৯০ দশকের নিরু, অভি, ইলিয়াসের মত নেতা? কোথায় ছাত্রদল,কোথায় মির্জা আব্বাসের যুবদল? কাদের নিয়ে রাজনীতি করছেন ম্যাডাম খালেদা জিয়া।
আমি বলি কোথায় আজ ৮০-৯০ দশকের সেই ম্যাডাম খালেদা জিয়া, যিনি নেমেছিলেন রাজপথে, মাড়িয়েছিলেন ধুলিমাখা পথ রোদ পুড়ে, যাতে উজ্জীবিত হয়েছিল ছাত্রদল, যুবদল তথা দেশের মানুষ। 
কোথায় অপারেশন ক্লীন হার্ট করার বুদ্ধিদাতারা? যার জন্য বিএনপি নেতা-কর্মি নির্যাতিত হয়েছিল।
কোথায় বাবর? যে র‍্যাব দিয়ে হাজার হাজার বিএনপি-ছাত্রদল-যুবদলের নেতাকে হত্যা করিয়েছিল, হাজার হাজার নেতা কর্মি আজও সেই সময়ের র‍্যাবের নির্যাতনের চিহ্ন নিয়ে ধুকে ধুকে বেচে আছে।

কোথা লুটেরারা? বিএনপির ত্যাগি নেতা কর্মিরা কি লুটেছে? নাকি নব্য বিএনপিওয়ালারা-চাটুকাররা-আমলা-কামলা রা লুটেছে? তারা কোথায়?

এত এত আমলা-কামলা, নেতারা কই? নেতারা দূরে, অবহেলিত, যারা চাটুকার তারাই আজ নেতা। এই দলের অবস্থা এর চেয়ে ভাল হয় কেমনে? ভাগ্য ভাল দেশের মানুষ বালের নির্যাতনে অতিষ্ট, তাই আগামী ইলেকশন ৫০% ফেয়ার হলেই জিতে যাবে। কিন্তু এই ভুল না শোধরালে আবার এরকম অবস্থা হবে

আম আর জাম কে পছন্দ করিনা (সম্পূর্ন আমি দায়ী আমার লিখার জন্য)

জামাতকে আমি কখনোই সহ্য করতে পারিনা। এর কারণ চারটা, প্রথমত তারা বাংলাদেশের অস্থিত্বে বিশ্বাস করেনি, দ্বিতীয়ত তারা আন্ডার গ্রাউন্ড বেইজ রাজনীতি করে, তৃতীয়ত তারা ধর্মের নিজস্ব ব্যাখ্যা দেয় ও নিজের স্বার্থে ব্যবহার করে যা হক্বানি আলেমরা বিরুধীতা করছেন এবং শেষটি হল জামাতের উত্থানের সাথেই বিএনপির পতন নিহিত(আদর্শিক ভাবে দেওলিয়াত্বের পথে বিএনপি তা মোকাবেলা করতে পারছেনা) আর আওয়ামীলিগকে গৃণা করি কারন তারা কোন কিছু অর্জন না করেই জোর করে ও আম-বামের মধুর মিলনের কারনে করায়ত্ব করে নেয়। ৭১ এর নেতৃত্বের নজীর বিহিন ব্যার্থতার পরও তারা মুক্তিযুদ্ধের সোল আজেন্ট বনে গেছে, আর বামরাঈ তা মানে। এখন তারা দেশকে তাদের বাপের জমিদারি মনে করে। তাদের চাপাবাজী ও মিথ্যা বলার কারনেও তাদের পছন্দ করিনা। খেয়াল করলে দেখা যায় অগচটা ও মাথা গরম একরোখা ও যুক্তিহীন মানুষ গুলো আওয়ামিলিগ করে। এরা না বুঝে যুক্তি না বুঝে বাস্তবতা। তাদের জ্ঞ্যানের দৌড় তাদের নেতা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। তাই পক্সহন্দ করার কারন নেই। তাই দেশে শান্তি, উন্নতির স্বার্থে আমি জামত ও আওয়ামীলিগকে ঘৃণা করি। যারা মনে আওয়ামিলিগের বিরুধীতা করলে জামাতের সুবিধা হবে তারা বোকা। এটা করে তারা আওয়ামীলিগকে বাচাতে চায়। আওয়ামীলিগের এত এত পাপ, এগুলো নিয়ে আমাদের কথা না বললে ভবিষয়ত প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা কুরবে না, যেমন নতুন প্রজন্ম এখনও ধিক্কার দেয় আগের প্রজন্ম যুদ্ধোপরাধিদের বিচার না করাতে।

নিজস্ব ভাবনা (দায়ী সম্পুর্ন আমি)

বাংলাদেশের আম-বাম-নাস্তিক-শুশীল চুতিয়ারা মানবতার মধ্যে মোটা দাগ এনে দুই ভাগ করে ফেলেছে, এরা কোন মানুষ হত্যা হলে বা গণ হত্যা হলে খুজে এরা কি আম্বা লীগে করে? এরা কি বাম? এরা কি চুচীল? কিংবা এরা কি সংখ্যা লঘু? যদি এর যেকোন একটার মধ্যে পড়ে তাইলে মরা কান্না শুরু করে, এর বাইরের হলে কেউ বাশি বাজায়, কেউ জাতীয় সঙ্গীত গায়, কেউ বলে এরকম হতেই পারে, কেউ বলে আইন শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য এরকম করা হতে পারে, আবার অনেক গুলো নীরব থাকে, আবার অনেক গুলো পিচাশের হাসি হাসে। ঐ চুতিয়াদের বলি আজ থেকে আমরাও তোদের মত মানবতাকে দু ভাগে ভাগ করলাম। তোরা মরলে আর আমদের কীবোর্ড চলবেনা, হা হুতাশ করব না।