৭ জুন, ২০১৩

দিপু মনির সমকামিতার প্রতি অনুরাগ ও কিছু লোকের বিরুধীতা :-)

গত কিছুদিন থেকে কিছুলোক আমাদের উড়াউড়ি মন্ত্রী দিপু আফার পিছনে লাগছেন। বেচারীর দোষ কি? কইছে সমকামিদের প্রতি সহানূভূতিশীল, তাদের অধিকারের প্রতি সহানূভুতিশীল এতে দোষের কি আছে? অনেকেই বলছেন এটা ৯০% মুসলিম দেশের সাথে যায়না। আরে মিয়া অফ যান। দেশের শুধু ৯০% মুসলমান না ও অন্য ধর্মাবলম্বী রাও তো সমকামের বিরুদ্ধে। তাতে কি হইছে? আপনারা কি ভুইলা গেছেন দেশটা কোন ধর্মের নয়! এটা ধর্মনিরপেক্ষ দেশ ও আওয়ামীলিগ প্রগতিশীল ও ধর্মনিরপেক্ষ দল। তাই ধর্মের বাধ্যবাধকতা এখানে গণ্য নয়। আপনারা কি ধর্মনিরপেক্ষ তুরষ্ক ও ইরানের রাজার আমল ভুলে গেছেন!!!!!!!!যদি ভুলে না যান তাইলে কম চিল্লান। :-o
আরেক পার্টি আমাদের রক্ষণশিল সমাজের কথা বলছেন এবং সামাজিক মূল্যবোঢের কথা বলছেন। একদিকে প্রগতির কথা বলবেন আরেক দিকে রক্ষণশীল সমাজের কথা বলবেন!!! এটাই তো মোনাফেকি বা ডাবল ষ্টান্ডার্ড। যেহেতু আমাদের আওয়ামীলীগ খাটি প্রগতিশীল দল তাই তারা মোনাফেকি/দ্বিমূখী নীতি নয় খাটী প্রগতিতেই বিস্বাসী। প্রগতিশীল সমাজ ব্যক্তি স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। এখানে খুকু মনিদের জামাই ছেলে না মেয়ে সেটা নিয়ে মাথা ঘামানো ছোট লোকী কাজ-কারবার। :-p
সমকামিতা নিয়ে দিপু মনি তথা আওয়ামী সরকারের অবস্থানের সব চেয়ে বড় উপকারিতা হল এতে জন সংখ্যা নিয়ন্ত্রন সম্ভব। সম লিঙ্গের মিলনে যেহেতু সন্তান উৎপাদন সম্ভব নয় তাই পরিকল্পনা মাফিক সমকামিতাকে সমাজে ছড়ীয়ে দিলে ২০/৩০ বছরেই জনসংখ্যা কয়েক কোটী কমানো যাবে আপনারা হয়ত ভাবছেন সমাজে কিছু খোকা-খোকি হয়ত সমকামিতা পছন্দ করে কিন্তু সবাই তো আর করবে না :-o
এখানে আপনরা মারাত্বক ভূল করছেন সাহেব/সাহেবা রা। আমরা সবাই জানি আওয়ামীলিগ যা বলে বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী যা বলেন তা আওয়ামি লীগের কর্মি-সমর্থক-নেতা-এম্পি-মন্ত্রি বেধ বাক্যের চেয়েও বেশী মানে। এখন যেহেতু দিপু মনি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেষ ছাড়া কোন কাজ করেননা। তাই ধরে নিচ্ছি সমকামিতার বিষয়েও প্রধানমন্ত্রির অবস্থান জেনে নিয়েই উনি মন্তব্য করেছেন। একবার ভাবুন তো আওয়ামী কট্টর সমর্থক কত %? হ্যা যেকোন অবস্থায় আওয়ামীলিগ যতই ব্যর্থ হউক তারা কিন্তু কমপক্ষে ৩৫% ভোট পাবে। দেশের জনসংখ্যা ১৮ কোটি হলে এবং তার তিন ভাগের দুই ভাগ যদি পূর্ন বয়স্ক হয় তাইলে প্রাপ্ত বয়স্ক লোকের সঙ্খ্যা কমবেশী ১২ কোটী। এই ১২ কোটীর ৩৫ পার্সেন্ট হল ৪ কোটীর উপর। তার মানে ৪ কোটির বেশী লোক শেখ হাসিনার কট্টর সমর্থক ও হাসিনা যা বলেন তা তারা মানে-বলে ও করে। :-)
এখন প্রধান মন্ত্রি নির্দেশে যদি দেশের মানুষ সায় না দেয়ও অতীত বলে আওয়ামী কট্টোর সমর্থকরা সারা দিবে। এখন এই ৪ কোটী লোককে যদি এখন থেকেই সমকামিতায় লিপ্ত করানো যায় তাইলে আগামি ৩০/৪০ বছরে জনসংখ্যা কমপক্ষে ৪ কোটী কমানো যাব :-)

একবার চিন্তা করুন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য তা কত উপকারি! অথচ আমাদের দেশের কিছু ফেবু ইউজার/ব্লগার ও আওয়ামীবিরুধিরা তা সহ্য করতে পারছেনা। যেখানে আমাদের সরকার, প্রধানমন্ত্রী ও দিপুমনিকে পুরুষ্কৃত করার কথা সেখানে আমরা অপবাদ দিচ্ছি। বি পেট্রিয়ট গাইস, থিঙ্ক ডীপলী :-)
এ.এস.ফাহিম

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন