দেশের বিচারক গুলো বালের সমর্থক তা আমরা জানি। কিন্তু মিনিমাম ঘিলু তো থাকা উচিত। না সব গুলো মানিকের মত ঘিলুহীন!!
বাংলাদেশের আর্মিতে রাজনৈতিক বীজ বপন করেছিল ৭১ এর মুক্তিযোদ্ধা তাহের। তার কারনেই সেনাবাহিনীতে রাজনীতির যে প্রবেশ ঘটেছিল তা থেকে আজও মুক্ত হতে পারেনি। তাই ৭১ এর মুক্তিযোদ্ধা হলেও পরবর্তি ঘটনার জন্য আমার কাছে ও মীর জাফর। মীরজাফরি করেছে দেশের মানুষের চীর আকাংখিত গণতান্ত্রিক চেতনার সাথে। দখল করতে চেয়েছিল রাষ্ট্রক্ষমতা বিশৃংখলা সৃষ্টির মাধ্যমে। এটার জন্য তাহেরের ফাসি হইছে ঠিকি আছে।কিন্তু আজকের ইনু- তাহেরে ভাইদেরও তখন ঝোলানো উচিত ছিল।এরাও ছিল সেই উস্কানীদাতাদের অন্যতম। সেটা না করাটাই ততকালিন সরকারের ব্যর্থতা। বাংলাদেশের সংবিধান লঙ্ঘন করে একটী পেশাদার বাহিনীর মধ্যে বিশৃংখলা তথা দেশের সার্বভৌমত্ব ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়াতে শুধু তাহের কেন অন্য যেগুলা আছে ইনু সহ তাদেরকেও সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনা উচিত ছিল। আগামীতে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠীত হলে গণতন্ত্রের শত্রুদের বিচারের দাবী জানাই।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন