নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার সূত্র কি?
এক চিমটি আওয়ামী মৃদু সমালোচনা, একরাশ বিএনপির প্রতি অভিযোগ এবং অনেকগুলো চেতনার বড়ির ঘুটার মিলিত রূপই হলো নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা।
এই “নিরপেক্ষ”রা বর্তমান নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করতে গিয়ে অতীতের আজিজ কমিশনের উদাহরণ টেনে আনে। এতেই থামেনা, আরেকটু এগিয়ে গিয়ে বলে বর্তমান কমিশনের নিরপেক্ষতা আজিজ কমিশনের মত প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। এতকিছুর পরও “মত” ও “যাচ্ছে” শব্দ দুটি ব্যবহার করে বর্তমান কমিশনের অবৈধ ও পক্ষপা্তমূলক কাজের পক্ষে পরোক্ষ ঢাল ধরছেন “নিরপেক্ষ” সাংবাদিকরা।
এই “নিরপেক্ষ” সাংবাদিকরা ২০০৬ এর নির্বাচনকালীন সময়ের কমিশনকে “আজীজ কমিশন” বলে সুনির্দিষ্ট একটি ব্যক্তিকে টার্গেট করে কথা বললেও বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে “রকিব কমিশন” বলে উল্লেখ করেন না।
এই নিরপেক্ষরা বিএনপির আমলের দূর্নীতির কথা বললেই শুরু ও শেষ করেন “হাওয়াভবন” ও “তারেক” (মধ্যবয়ষ্ক একজন যুবক একটি বড় দলের নেতার পুরো নামটুকুও অধিকাংশ সময় উল্লেখ করার ভদ্রতা দেখাননা) দিয়ে। পক্ষান্তরে বর্তমান সরকারের হাজার হাজার কোটিটাকার দূর্নীতির অভিযোগ থাকলেও নিরপেক্ষওয়ালাদের কলম ও জবান থেকে বর্তমান শাসকগোষ্টীর তিন প্রধান ক্ষমতার কেন্দ্রকে (হাসিনা-রেহানা-জয়) সযতনে এড়িয়ে যান। শেয়ার কেলেংকারীতে মিনমিনে সুরে দরবেশের সমালোচনা করলেও দরবশের সবসময়ের শেল্টার হাসিনা পরিবারের দিকে অঙ্গুলি তারা তুলেন না। ইউনিপেতে হানিফের মাধ্যমে জয় উপকৃত হলেও ইউনিপে নিয়ে তেনারা কথা বলেন, কিন্তু ইউনিপের মদদদাতা হানিফ ও হানিফের মাধ্যমে বেনেফিশিয়ারী জয়ের নাম আসেনা। জয়ের ৩০০ মিলিয়ন কেলেঙ্কারী নিয়েও “নিরপেক্ষরা” নীরব।
যমুনা সেতুতে শেখ হাসিনা গাড়ী থামিয়ে জনগনের টাকায় সেতুর টোল দেওয়ায় তারা আনন্দে বিগলিত হয়ে গেলেও দেশের জনগণের টাকা খরচ করে বিশাল বহর নিয়ে বোনের মেয়ের সন্তানকে দেখতে যাওয়ার বিষয়ে নীরব।
এই “নিরপেক্ষ”রা গনতন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা নিয়ে রচনা লিখতে কিংবা বলতে জিয়ার “পলিটিশিয়ানদের জন্য রাজনীতি কঠিন করার” সেই উক্তি টেনে আনেন। অথচ তারা সবাই জানেন জিয়ার সেই উক্তির আসল উদ্দেশ্য। জিয়া রাজনীতিবিদদের জন্য আসলেই রাজনীতি কঠিন করে তুলেছিলেন। রাজনীতি করতে হলে সততা দরকার, রাজনীতি করতে হলে শতশত মাইলে হেটে হেটে জনগণের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলা দরকার, জনগণের কথা শুনার দরকার। এগুলো নিজে করেছিলেন এবং করেছিলেন বলেই তিনি রাজনীতিবিদদের উদ্দেশ্যে এমন সাহসী কথা বলতে পেরেছিলেন। রাজনীতি মানে ঢাকায় পরিপাটি সাজে সেজে পার্টি করা নয়, জনগণের উন্নতিকল্পে পরিশ্রম করা। তাই তারপক্ষে এবং একমাত্র তারপক্ষেই এই বাক্যবলা সম্ভব। বস্থুত জিয়া রাজনীতিবিদদের জন্য একটি স্টান্ডার্ড (মান) তৈরি করেছিলেন নিজের কর্মকে সবার সামনে উদাহরণ দিয়ে।
অথচ নিরপেক্ষরা সেই পজেটিভ কথার মধ্যেও গনতন্ত্রের সংকট খুজে পান, কিন্তু আরেকটু অতীতে ফিরে “বাকশালে”র দেখা পান না। দেখা পাননা “লাল ঘোড়া দাবড়িয়ে দেওয়া”কে। দেখা পাননা চোরের খনির সর্দার ও তারপরিবারকে। দেখা পাননা “দূর্ভিক্ষের মধ্যেও রাজমুকুট পড়ীয়ে বিয়ে করিয়ে” জনগণের দুর্ভোগ-কষ্টের উপহাস করার সোকলড হাজার বছরের সেরা “বাঙ্গাল”কে।
“নিরপেক্ষ”দের এরকম হাজারো উদাহরণ দেওয়া যাবে।
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এইরকম নিরপেক্ষদের নিয়ে আমরা (জাতীয়তাবাদীরা) কি করিব?
কেন বেগম জিয়া, তারেক রহমান থেকে শুরু করে সকল সিনিয়র নেতারা আবুল মকসুদ, আনিসুজ্জামান, মতি আলু, নাইমুল, নইম নিজাম, সোবহান(মতি আলুর), মিলন, সারোয়ার, আমির খসরু সহ অন্যান্য “নিরপেক্ষ”দের মুখোশ উন্মোচন করেন না? তাদেরকে একটি বিশেষ দলের দোসর হিসেবে সবার কাছে পরিষ্কার করতে পারলে তারা সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে পারবেনা।
বিএনপির নেতারা এদেরকে নিরপেক্ষ হিসেবে মেনে নিয়ে তাদের কলম ও জবান কে শক্তিশালী করতেছেন। দলীয় ছাপ পড়া আগা চৌ, কে এম সোবহান, আরাফাত গং দের কথা সাধারণ বিশ্বাস না করলেও তথাকথিত “নিরপেক্ষ”দের কথায় অনেকে বিভ্রান্ত হয় ও বিশ্বাস করে। আগা চৌ গংরা কিংবা হাসিনারা যত ক্ষতি বিএনপি ও তারেক রহমানের করেছে, তারচেয়ে শতগুন বেশী ক্ষতি মতি আলু, মতি মিয়া,নইম নিজাম, আবুল মনসুর গংরা করেছে।
আগামীতে আওয়ামী প্রপাগান্ডা মোকাবেলার অনেককিছুই নির্ভর করবে এদেরকে “দলীয় ছাপ” মেরে এদের কলম ও জবানের ধার ভোতা করার মাধ্যমে।
অনেক কিছুতেই অদক্ষ বিএনপি এটা করতে পারবে, এই আশাও তেমন করিনা।
#ফাহিম #উদ্ভটভাবনা #ভিন্নমত
এক চিমটি আওয়ামী মৃদু সমালোচনা, একরাশ বিএনপির প্রতি অভিযোগ এবং অনেকগুলো চেতনার বড়ির ঘুটার মিলিত রূপই হলো নিরপেক্ষ সাংবাদিকতা।
এই “নিরপেক্ষ”রা বর্তমান নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করতে গিয়ে অতীতের আজিজ কমিশনের উদাহরণ টেনে আনে। এতেই থামেনা, আরেকটু এগিয়ে গিয়ে বলে বর্তমান কমিশনের নিরপেক্ষতা আজিজ কমিশনের মত প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যাচ্ছে। এতকিছুর পরও “মত” ও “যাচ্ছে” শব্দ দুটি ব্যবহার করে বর্তমান কমিশনের অবৈধ ও পক্ষপা্তমূলক কাজের পক্ষে পরোক্ষ ঢাল ধরছেন “নিরপেক্ষ” সাংবাদিকরা।
এই “নিরপেক্ষ” সাংবাদিকরা ২০০৬ এর নির্বাচনকালীন সময়ের কমিশনকে “আজীজ কমিশন” বলে সুনির্দিষ্ট একটি ব্যক্তিকে টার্গেট করে কথা বললেও বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে “রকিব কমিশন” বলে উল্লেখ করেন না।
এই নিরপেক্ষরা বিএনপির আমলের দূর্নীতির কথা বললেই শুরু ও শেষ করেন “হাওয়াভবন” ও “তারেক” (মধ্যবয়ষ্ক একজন যুবক একটি বড় দলের নেতার পুরো নামটুকুও অধিকাংশ সময় উল্লেখ করার ভদ্রতা দেখাননা) দিয়ে। পক্ষান্তরে বর্তমান সরকারের হাজার হাজার কোটিটাকার দূর্নীতির অভিযোগ থাকলেও নিরপেক্ষওয়ালাদের কলম ও জবান থেকে বর্তমান শাসকগোষ্টীর তিন প্রধান ক্ষমতার কেন্দ্রকে (হাসিনা-রেহানা-জয়) সযতনে এড়িয়ে যান। শেয়ার কেলেংকারীতে মিনমিনে সুরে দরবেশের সমালোচনা করলেও দরবশের সবসময়ের শেল্টার হাসিনা পরিবারের দিকে অঙ্গুলি তারা তুলেন না। ইউনিপেতে হানিফের মাধ্যমে জয় উপকৃত হলেও ইউনিপে নিয়ে তেনারা কথা বলেন, কিন্তু ইউনিপের মদদদাতা হানিফ ও হানিফের মাধ্যমে বেনেফিশিয়ারী জয়ের নাম আসেনা। জয়ের ৩০০ মিলিয়ন কেলেঙ্কারী নিয়েও “নিরপেক্ষরা” নীরব।
যমুনা সেতুতে শেখ হাসিনা গাড়ী থামিয়ে জনগনের টাকায় সেতুর টোল দেওয়ায় তারা আনন্দে বিগলিত হয়ে গেলেও দেশের জনগণের টাকা খরচ করে বিশাল বহর নিয়ে বোনের মেয়ের সন্তানকে দেখতে যাওয়ার বিষয়ে নীরব।
এই “নিরপেক্ষ”রা গনতন্ত্রের প্রতিবন্ধকতা নিয়ে রচনা লিখতে কিংবা বলতে জিয়ার “পলিটিশিয়ানদের জন্য রাজনীতি কঠিন করার” সেই উক্তি টেনে আনেন। অথচ তারা সবাই জানেন জিয়ার সেই উক্তির আসল উদ্দেশ্য। জিয়া রাজনীতিবিদদের জন্য আসলেই রাজনীতি কঠিন করে তুলেছিলেন। রাজনীতি করতে হলে সততা দরকার, রাজনীতি করতে হলে শতশত মাইলে হেটে হেটে জনগণের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলা দরকার, জনগণের কথা শুনার দরকার। এগুলো নিজে করেছিলেন এবং করেছিলেন বলেই তিনি রাজনীতিবিদদের উদ্দেশ্যে এমন সাহসী কথা বলতে পেরেছিলেন। রাজনীতি মানে ঢাকায় পরিপাটি সাজে সেজে পার্টি করা নয়, জনগণের উন্নতিকল্পে পরিশ্রম করা। তাই তারপক্ষে এবং একমাত্র তারপক্ষেই এই বাক্যবলা সম্ভব। বস্থুত জিয়া রাজনীতিবিদদের জন্য একটি স্টান্ডার্ড (মান) তৈরি করেছিলেন নিজের কর্মকে সবার সামনে উদাহরণ দিয়ে।
অথচ নিরপেক্ষরা সেই পজেটিভ কথার মধ্যেও গনতন্ত্রের সংকট খুজে পান, কিন্তু আরেকটু অতীতে ফিরে “বাকশালে”র দেখা পান না। দেখা পাননা “লাল ঘোড়া দাবড়িয়ে দেওয়া”কে। দেখা পাননা চোরের খনির সর্দার ও তারপরিবারকে। দেখা পাননা “দূর্ভিক্ষের মধ্যেও রাজমুকুট পড়ীয়ে বিয়ে করিয়ে” জনগণের দুর্ভোগ-কষ্টের উপহাস করার সোকলড হাজার বছরের সেরা “বাঙ্গাল”কে।
“নিরপেক্ষ”দের এরকম হাজারো উদাহরণ দেওয়া যাবে।
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এইরকম নিরপেক্ষদের নিয়ে আমরা (জাতীয়তাবাদীরা) কি করিব?
কেন বেগম জিয়া, তারেক রহমান থেকে শুরু করে সকল সিনিয়র নেতারা আবুল মকসুদ, আনিসুজ্জামান, মতি আলু, নাইমুল, নইম নিজাম, সোবহান(মতি আলুর), মিলন, সারোয়ার, আমির খসরু সহ অন্যান্য “নিরপেক্ষ”দের মুখোশ উন্মোচন করেন না? তাদেরকে একটি বিশেষ দলের দোসর হিসেবে সবার কাছে পরিষ্কার করতে পারলে তারা সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করতে পারবেনা।
বিএনপির নেতারা এদেরকে নিরপেক্ষ হিসেবে মেনে নিয়ে তাদের কলম ও জবান কে শক্তিশালী করতেছেন। দলীয় ছাপ পড়া আগা চৌ, কে এম সোবহান, আরাফাত গং দের কথা সাধারণ বিশ্বাস না করলেও তথাকথিত “নিরপেক্ষ”দের কথায় অনেকে বিভ্রান্ত হয় ও বিশ্বাস করে। আগা চৌ গংরা কিংবা হাসিনারা যত ক্ষতি বিএনপি ও তারেক রহমানের করেছে, তারচেয়ে শতগুন বেশী ক্ষতি মতি আলু, মতি মিয়া,নইম নিজাম, আবুল মনসুর গংরা করেছে।
আগামীতে আওয়ামী প্রপাগান্ডা মোকাবেলার অনেককিছুই নির্ভর করবে এদেরকে “দলীয় ছাপ” মেরে এদের কলম ও জবানের ধার ভোতা করার মাধ্যমে।
অনেক কিছুতেই অদক্ষ বিএনপি এটা করতে পারবে, এই আশাও তেমন করিনা।
#ফাহিম #উদ্ভটভাবনা #ভিন্নমত
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন